ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড আরব আমিরাতে শবেবরাত আজ, বাংলাদেশে কবে? দূতাবাস খুলতে ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত কারাগারে প্রথম ‘সেক্স রুম’ চালু করল ইতালি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে ইসরায়েলে গিয়ে নেচেছেন-গেয়েছেন মোদি ভারতে রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগে ওয়েটার গ্রেপ্তার আসুন, সবাই মিলে মর্যাদার বাংলাদেশ গড়ি: তারেক রহমান এনসিপি'র ৩৬ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা কলকাতার বাংলাদেশ লাইব্রেরিতে জায়গা পেল বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই বিয়ের ২ মাস পর প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী, লজ্জায় প্রাণ দিলেন স্বামী ও ঘটক! শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান টানা ছয় জয় বাংলাদেশের মেয়েদের চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে ৩০০ নেতাকর্মী নিয়ে ধানের শীষে ভোট দেয়ার ঘোষণা আ.লীগ নেতার ইরানের বিক্ষোভে নিজের মৃত্যুর খবর টিভিতে দেখলেন ইসরাইলি তরুণী আগে বাসের ভেতর থেকে নামুন, তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে আসিফ মাহমুদ বরফে চাপা পড়া মালিকের সঙ্গে টানা চারদিন না খেয়ে পাশে ছিল কুকুর ভারতে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নিহত জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন, কারণ তারা শান্তিপ্রিয়: তাহের

বিদায়ী বছরজুড়ে ছিল অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৫ ০২:০৯:৫২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৫ ০২:০৯:৫২ অপরাহ্ন
বিদায়ী বছরজুড়ে ছিল অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ

২০২৪ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা কঠিন ছিল। নির্বাচিত ও অন্তর্বর্তী সরকারও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে সংকট কাটানোর চেষ্টা করা হলেও, বিভিন্ন কারণে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। রিজার্ভের পতন ঠেকানোর জন্য রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বাড়ানোর চেষ্টা করা হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিনিয়োগ স্থবিরতা, এবং কর্মসংস্থানের অভাব পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

২০২৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ সরকার ২০ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ, ১১০ টাকা ডলার রেট এবং ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ সাধারণ মূল্যস্ফীতি নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করে। মূল চ্যালেঞ্জ ছিল নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে ভোক্তাদের স্বস্তি প্রদান। তবে সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে এটি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। জুন-আগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের পর হাসিনা সরকারের পতন হলে, নতুন সরকারও এই সংকট সমাধানে সফল হতে পারেনি। এর মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্যাংক খাতের সংকট আরও বাড়ে।

ব্যাংকখাতের সংকট সমাধান করতে একীভূতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। রিজার্ভের পতন ঠেকানোর জন্য রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বাড়ানোর মাধ্যমে কিছুটা উন্নতি হলেও, ডলারের দাম এক পর্যায়ে ১২০ টাকায় স্থিতিশীল হলেও, বছরের শেষে তা আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়। রফতানি আয় ও ইপিবি রিপোর্টের মধ্যে ফারাক নিয়ে আলোচনা ছিল, বিশেষ করে তৈরি পোশাকখাতের অবস্থান ছিল নাজুক। শ্রমিক অসন্তোষ ও চাকরি হারানোর ভয়ে শ্রম পরিস্থিতি খারাপ হয়ে ওঠে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নতুন বিনিয়োগ আসেনি এবং বেসরকারিখাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে সীমাবদ্ধ ছিল। কর্মসংস্থান বাড়েনি এবং বিদেশে শ্রমিক রফতানি কমেছে। বিগত সরকারের আর্থিক লুটপাটের কারণে অর্থনীতির শ্বেতপত্রে এ সব তুলে ধরা হয়েছে। আইএমএফ ৩.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিলেও, পরবর্তী বছর ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখা যাচ্ছে।


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড

পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড